
মোঃ আশরাফ ইকবাল পিকলু মাজমাদার
খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান।
কুষ্টিয়া শহরের প্রাণকেন্দ্রে আতিথেয়তা, রুচিশীলতা ও আধুনিকতার এক অনন্য সংযোজন হিসেবে যাত্রা শুরু করল ‘এস. কে ক্যাফে এন্ড রেস্টুরেন্ট’। সোমবার (১৮ মে) বিকেল সাড়ে চারটায় শহরের এন এস রোড সংলগ্ন পাবলিক লাইব্রেরির নিচ তলায় এক বর্ণাঢ্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে রেস্টুরেন্টটির শুভ উদ্বোধন সম্পন্ন হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংবাদিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, কুষ্টিয়ার সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মেজবাউর রহমান,প্রবীণ হিতৈষী কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক প্রেসক্লাব কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি ও খুলনা বিভাগের সাধারণ সম্পাদক পারভেজ মাজমাদার,দৈনিক ভোরের ডাক-এর কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সভাপতি মুকুল খসরু, বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের খুলনা বিভাগীয় সেক্রেটারি ও ঝিনাইদহ জেলা সভাপতি স্বপন মাহমুদ,ঝিনাইদহ রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি কবির আহমেদ এবং সাংবাদিক নুরুন্নাহার সীমাসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রেস্টুরেন্টটির চেয়ারম্যান ও স্বত্বাধিকারী মো. সোহেল খন্দকার। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “কুষ্টিয়ার মানুষকে একটি পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও পরিবারবান্ধব পরিবেশে মানসম্মত খাবার পরিবেশন করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। স্বাদ,গুণগত মান ও আন্তরিক সেবার মাধ্যমে আমরা গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করতে চাই।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন খালিদ বিন শওকত, যার প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় পুরো আয়োজনটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। এ সময় ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ,স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং খাদ্যপ্রেমীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি রূপ নেয় এক মিলনমেলায়।
উদ্বোধন শেষে অনুষ্ঠিত হয় এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা, যেখানে বক্তারা রেস্টুরেন্টটির আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং মানসম্মত খাবার পরিবেশনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান। তারা এ ধরনের উদ্যোগ কুষ্টিয়ার খাদ্যসংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পরিশেষে অতিথিরা রেস্টুরেন্টের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ ঘুরে দেখেন এবং নান্দনিক সাজসজ্জা,আরামদায়ক পরিবেশ ও খাবারের মানের প্রশংসা করেন। নতুন এই রেস্টুরেন্টটি খুব শিগগিরই কুষ্টিয়ার খাদ্যপ্রেমীদের কাছে একটি জনপ্রিয় গন্তব্যে পরিণত হবে—এমন প্রত্যাশাই ব্যক্ত করেন সবাই।
Leave a Reply