
মো: তুহিন দেওয়ান।
বোরহানউদ্দিন পৌরসভার অলিগলিতে এখন একটিই গুঞ্জন—পরিবর্তনের হাওয়া। তবে এই পরিবর্তন কেবল ক্ষমতার পালাবদল নয়, বরং ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার মেলবন্ধন। সাধারণ মানুষের আস্থা আর ভালোবাসাকে পুঁজি করে একটি আধুনিক ও সেবামূলক পৌরসভা গড়ার প্রত্যয় নিয়ে মাঠে নেমেছেন তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি মেহেদী হাসান সাগর।
বাবার আদর্শে অসম্পূর্ণ স্বপ্নের সারথি
সাগরের এই পথচলা হুট করে আসা কোনো রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নয়। এর পেছনে রয়েছে গভীর এক আবেগ। তার বাবা এই অঞ্চলের মানুষের জন্য যে স্বপ্নগুলো দেখতেন, যার কিছু কাজ সময়ের অভাবে অসম্পূর্ণ থেকে গেছে, সেই কাজগুলোকেই পূর্ণতা দিতে চান তিনি। সাগরের ভাষায়:
“বাবা সবসময় বলতেন, জনসেবা কোনো পদবী নয়, এটি একটি দায়িত্ব। আমি কেবল তার রক্ত বহন করছি না, তার সেই অসম্পূর্ণ স্বপ্নগুলো কাঁধে তুলে নিতে চাই। বোরহানউদ্দিন হবে প্রতিটি নাগরিকের নিরাপদ আশ্রয়।”
কেন সাগর ‘সবার থেকে আলাদা’?
নির্বাচনী ডামাডোলে অনেক প্রতিশ্রুতি শোনা যায়, কিন্তু সাগরের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবমুখী ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর। তার লক্ষ্যগুলো হলো:
১।স্মার্ট পৌরসেবা: নাগরিক সেবাগুলোকে ডিজিটালাইজ করা, যাতে সাধারণ মানুষকে একটি সার্টিফিকেটের জন্য দিনের পর দিন ঘুরতে না হয়।
২।তরুণদের কর্মসংস্থান: তরুণ নেতৃত্বের জয়গান গেয়ে কেবল স্লোগান নয়, বরং কারিগরি প্রশিক্ষণ ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি।
৩।পরিচ্ছন্ন ও পরিকল্পিত শহর: ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিক পদ্ধতির প্রয়োগ।
৪। পৌরসভার সৌন্দর্য বৃদ্ধি।
৫।মানবিক পৌরসভা: অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য ২৪ ঘণ্টা সেবামূলক হেল্পলাইন চালু করা।
সাধারণ ভোটারদের মতে, বোরহানউদ্দিন এখন এমন একজন নেতা চায় যিনি কথা কম বলবেন এবং কাজ করবেন বেশি। মেহেদী হাসান সাগর সেই তারুণ্যের প্রতীক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, জনগণের ভালোবাসা কোনো ব্যালট পেপারের সংখ্যায় নয়, বরং মানুষের হাসিতে লুকিয়ে থাকে।
আগামী নির্বাচনে এই তরুণ নেতৃত্ব বোরহানউদ্দিন পৌরসভাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় বাসিন্দাদের।
Leave a Reply