
মোঃ তুহিন দেওয়ান
স্টাফ রিপোর্টার, ভোলা,
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আয়োজিত সালিশি বৈঠকে সবুজ ওহিদ ফরিদের হাতে হামলার শিকার হয়েছেন লামিয়া আক্তার।
ঘটনা সূত্র জানা যায় তজুমদ্দিন উপজেলার ৫ নং শম্ভুপুর ইউনিয়নের বাদলীপুর ২ নং ওয়ার্ড বাসিন্দা রফিকুল ভুঁইয়ার বাড়িতে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে সালিশি বৈঠক করা হয়।
উক্ত বিষয় নিয়ে মোঃ শফিউল্লাহ ভুইয়া ছেলে সবুজ, ফরিদ, ওহিদ স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিদের সামনে হেলাল হোসেনের উপর হামলা করেন রফিকুল ভুঁইয়ার পরিবার হেলাল হোসেনকে হামলা থেকে বাঁচাতে এলে সুলাইমান হাওলাদারের মেয়ে লামিয়া আক্তার কে মারধর করা হয় ।
লামিয়া আক্তার তার নানা বাড়িতে বেড়াতে আসেন।
হেলাল হোসেন অভিযোগ করেন তার আপন চাচা শফিউল্লাহ ভূইয়া তার ৩ ছেলে ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
গত বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের বাদলীপুর গ্রামে এ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- বাদলীপুর ২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা রফিকুল ভূঁইয়ার নাতিন ১। লামিয়া আক্তার ২।
হেলাল হোসেন ৩। রফিকুল ইসলাম ৪। ওলুফা আক্তার ৫,ইলিয়াস, ৬, মারিয়া আক্তার ৭, কুলসুম,
হামলাকারীরা হচ্ছেন ।
তজুমদ্দিন উপজেলা বিআরডিপি কর্মচারী অহিদ (৩৩) এবং তার ছোট ভাই ব্যবসায়ী সবুজ ভূঁইয়া (২৯)। ৩ ফরিদ,
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, রপিকুল ভূঁইয়ার পরিবারের সঙ্গে তার ছোট ভাই শফিউল্লাহ ভূঁইয়ার দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
অভিযোগ রয়েছে, শফিউল্লাহ ভূঁইয়া প্রভাব খাটিয়ে রফিক ভুইয়ার পৈতৃক ভিটার প্রায় ৫ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখল করতে চান।
জমি সংক্রান্ত বিষয়ে মীমাংসার লক্ষ্যে বুধবার সকালে উভয় পক্ষকে নিয়ে একটি ঘরোয়া সালিশি বৈঠক বসে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৈঠক চলাকালীন তর্কের এক পর্যায়ে শফিউল্লাহ ভুইয়া ও তার ছেলে সন্তানদের কে নিয়ে রফিক ভূঁইয়া, ছেলে হেলাল, ফরহাদ, ইলিয়াস লামিয়া আক্তার ও পরিবারের নারী সদস্য কুলসুম বেগমকে বহিরাগত সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে হামলা করেন ।
ঘটনার পরপরই স্বজনরা আহতদের উদ্ধার করে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
সেখানে হেলাল উদ্দিন ও তার পরিবার সকল সদস্য চিকিৎসা করেন।
আহত হেলাল হোসেন অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত শফিউল্লাহ ভূঁইয়া ও তার ছেলেরা বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ দোসর হিসেবে পরিচিত।
দীর্ঘ সময় ধরে তারা এলাকায় ভূমিদস্যুতা, চাঁদাবাজি ও সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে আসছে।
তাদের বিরুদ্ধে কোন প্রতিবাদ করতে গেলে ক্ষমতার দাপট দেখিয়েই তারা এই বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।
এ ঘটনায় আহত রফিকুল ভূঁইয়া তজুমদ্দিন থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেনি ।
ঘটনার সত্যতা জানার জন্য তজুমদ্দিন থানা পুলিশ কে অনুরোধ করেন রফিকুল ভুইয়া।
ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী এই ন্যক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
Leave a Reply