
স্টাফ রিপোর্টার:
চরের জমিতে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে বসবাস ও চাষাবাদ করে আসা হাজী আলমগীরের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়ার প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। হাজী আলমগীর জানান, একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাকে ও তার ছেলেকে গরু চুরির ঘটনায় জড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
হাজী আলমগীর বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে চরে বসবাস করে কৃষিকাজ করে আসছেন। এলাকায় কেল্লা নির্মাণের সময় তিনি নিজ উদ্যোগে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। অথচ সেই তিনিই আজ ষড়যন্ত্রের শিকার।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ২০২২ সালে
চর থেকে একটি মহিষ নিয়ে যায়।
এরপর ২০২৩ সালে কেল্লা থেকে তার একটি গরু চুরি হয়, যা আর উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। একইভাবে ২০২৪ সালের শুরুতে তার অধীনে জসিম মাঝির দুটি মহিষ চুরি হয়।
অন্যদিকে, অভিযোগকারী এক নারীর স্বামী মান্নান হাওলাদারের একটি গরু তিন বছর আগে চুরি হয়, যা আজ পর্যন্ত উদ্ধার হয়নি। এখন সেই গরু চুরির দায় হাজী আলমগীর ও তার ছেলের ওপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
হাজী আলমগীর বলেন,
“আমাদেরও আগে বহু গরু-মহিষ চুরি হয়েছে। একবার চুরি যাওয়া একটি গরু উদ্ধার হয়েছিল এবং চোরদের ধরা হয়েছিল। তাই বলে আমরা চুরি করি—এমন অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
তিনি আরও জানান, তাকে চরে চাষাবাদ থেকে বিরত রাখতেই এই মিথ্যা মামলা ও অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। কিছুদিন আগে জাহাঙ্গীর, মান্নান হাওলাদারসহ প্রভাবশালীরা জমি চাষ করতে গেলে তার চারটি টিলার জোরপূর্বক নিয়ে যায়।
এছাড়া ১৫–২০ দিন আগে কৃষকদের জমির ফসল ও গরু-মহিষ ছিনিয়ে নিতে অস্ত্র, দা ও ছেনি নিয়ে হামলা চালানো হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
হাজী আলমগীর তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, প্রকৃত দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন তিনি।
Leave a Reply