
মোঃ মেহেদী হাসান হৃদয় ||
ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার মাদ্রাজ ৩ নং ওয়ার্ডের সন্তান মুফতি মাওলানা হাসান মাহমুদ আশ্রাফী আজ দেশের দ্বীনি অঙ্গনে এক পরিচিত নাম। অদম্য পরিশ্রম, ত্যাগ ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন যোগ্য আলেম, গবেষক (লেখক) ও জনপ্রিয় বক্তা হিসেবে।
শৈশব থেকেই দ্বীনি শিক্ষার প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল তার। জীবনের নানা প্রতিকূলতা ও কষ্টের মধ্য দিয়েও তিনি থেমে যাননি। কঠোর পরিশ্রম ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে তিনি উচ্চতর ইসলামি শিক্ষা অর্জন করেন। তিনি ঢাকার স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মারকাযুল ফিকরি ওয়াল ইরশাদ, মোহাম্মদপুর থেকে ইফতা (ইসলামি আইন ও গবেষণা) সম্পন্ন করেন। পাশাপাশি তিনি জামিয়া মোহাম্মদীয়া ঢাকা থেকে দাওরা হাদিস (মাস্টার্স) সম্পন্ন করছেন।
বর্তমানে তিনি ঢাকার দারুল উলুম কাওমী মাদ্রাসা, মিরপুরে সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি দেশজুড়ে ইসলামের সুমহান বাণী প্রচারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় তিনি অসংখ্য ইসলামি মাহফিলে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পেশ করেছেন। এর মধ্যে নেত্রকোনা, ঝিনাইদহ, জামালপুর, বরিশাল, ভোলা, ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তার উপস্থিতি শ্রোতাদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তার সুমধুর কণ্ঠ, হৃদয়স্পর্শী বক্তব্য ও যুক্তিনির্ভর আলোচনা শ্রোতাদের মন ছুঁয়ে যায়। অনেকেই তার বয়ান শুনে অনুপ্রাণিত হন এবং দ্বীনের পথে ফিরে আসার প্রেরণা পান।
ধর্মীয় শিক্ষা, গবেষণা ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে ভোলাবাসীর গর্বে পরিণত হয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, এত প্রতিকূলতার মধ্যেও তার এই সাফল্য তরুণ সমাজের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
মুফতি মাওলানা হাসান মাহমুদ আশ্রাফী বলেন, “মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমার লক্ষ্য। দ্বীনের সঠিক বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই।”
তার এই পথচলা আগামী দিনে আরও সমৃদ্ধ হবে এমন প্রত্যাশা করছেন শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
Leave a Reply