1. mh01610093622@gmail.com : banglanetexpress :
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম... টিমি থিম, নিউজ পেপার থিম, ই-কমার্স থিম, কর্পোরেট থিম, স্কুল কলেজের থিমস কিনতে ভিজিট করুন www.themeneed.com  Themeneed.Com, Office :41/ Compact Bayazid square, Bayazid Bostami Rd, Nasirabad, Chaittagong, Mobile : 01310095939, 01859124823 Email : support@themeneed.com
সংবাদ শিরোনাম:
বোচাগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা দেবেন চন্দ্র রায়ের ‘বীরনিবাসের’ লে-আউট উদ্বোধন চরফ্যাশনে রহস্যজনক শিক্ষার্থীর মৃত্যু, গণমাধ্যমের উপর হামলা ও মামলা প্রত্যাহারের চাপ: নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে উদ্বেগ। সত্য প্রকাশের শাস্তি কি সন্ত্রাসী হামলা? ভোলায় সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে গণমাধ্যমকর্মীরা” কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষককে গিরে অনৈতিকতার অভিযোগ, উদ্বিগ্ন অভিভাবক মহল কুষ্টিয়ার মাটিতে মরুভূমির স্বাদ: দুম্বা খামারে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত কুষ্টিয়ার সন্তান মোঃ ইমরান হাসান রাহুল ঢাকা মহানগর জাগপা ছাত্র কাফেলার সেক্রেটারি পদে দায়িত্বগ্রহণ ভূমিসেবায় দুর্ভোগ কমাতে তজুমদ্দিনে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত। ৭নং টবগী ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক নূর নবী হাওলাদারের গ্রেফতারের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর ক্ষোভ কুষ্টিয়া পৌর নির্বাচনে কমিশনার পদে প্রার্থী হচ্ছেন সফল উদ্যোক্তা রেজাউল করিম কুষ্টিয়া জেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতির দলীয় কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা

বাঁশখালী হত্যার ১৭ বছর: বিচারের অপেক্ষা আর কত?

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩৭৮ বার ভিউ

২০১৯ সালের ২৩ জুন উচ্চ আদালত মামলার বিচার ছয় মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দেওয়ার পর পেরিয়ে গেছে ১৬টি মাস। কিন্তু বিচার শেষ হওয়া তো দূরের কথা অর্ধশতের বেশি সাক্ষীর অর্ধেকের বেশি সাক্ষ্য এখনও নেওয়া হয়নি। এত দিনেও বিচার না পেয়ে নিরাশ পরিবারটির সদস্যরা।
২০০৩ সালের ১৮ নভেম্বর রাতে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর সাধনপুর গ্রামের শীলপাড়ায় বাইরে থেকে ঘরে তালা লাগিয়ে গান পাউডার ছড়িয়ে আগুনে পুড়িয়ে নারী-শিশুসহ ১১ জনকে হত্যা করা হয়।
নিহতরা হলেন- তেজেন্দ্র লাল শীল (৭০), তার স্ত্রী বকুল শীল (৬০), ছেলে অনিল শীল (৪০), অনিলের স্ত্রী স্মৃতি শীল (৩২), অনিলের তিন সন্তান রুমি শীল (১২), সোনিয়া শীল (৭) ও চার দিন বয়সী কার্তিক শীল, তেজেন্দ্র শীলের ভাইয়ের মেয়ে বাবুটি শীল (২৫), প্রসাদি শীল (১৭), অ্যানি শীল (৭) এবং কক্সবাজার থেকে বেড়াতে আসা আত্মীয় দেবেন্দ্র শীল (৭২)।
সেদিন অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পাওয়া তেজেন্দ্র শীলের ছেলে বিমল শীল পরে বাদি হয়ে মামলা করেন। এরপর ১৭ বছর মা-বাবাসহ পরিবারের সদস্যদের হত্যার বিচার চেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন বিমল।
বিচার পাওয়া নিয়ে হতাশার কথা জানিয়ে বিমল শীল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মামলা চালাতে গিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। হিমশিম খেয়ে যাচ্ছি। কোনো সহযোগিতাও পাচ্ছি না। সরকার যদি মামলা পরিচালনার ভার নিত।
“বছর ঘুরলে শুধু পত্র পত্রিকায় লেখালেখি হয়, এটুকুই। কেউ আর খবরও নেয় না। মা-বাবা হারালাম। আর অবশিষ্ট কিছুই নেই।”
শুরু থেকে এই মামলার বিচারের দাবিতে সরব বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাণা দাশগুপ্ত বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “২০০১-২০০৬ এই সময়ে দেশে যে কয়টি লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছিল তার মধ্যে বাঁশখালীর এই হত্যাকাণ্ড একটি। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো ঘটনার বিচার হয়নি।
“অনতিবিলম্বে বাঁশখালী ১১ হত্যা মামলার বিচার জাতি দেখতে চায়। ইতিমধ্যে ভুক্তভোগীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন। তারা জীবদ্দশায় বিচার পাবে না বলে আশঙ্কা করছেন।”
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলছেন, সাক্ষী হাজির করতে না পারায় এবং প্রায় আট মাস ধরে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের পদ খালি থাকায় বিচার কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com