
নিজস্ব প্রতিবেদক:
পবিত্র রমজান মাস সংযম, আত্মশুদ্ধি ও ভ্রাতৃত্ববোধের মাস। সারাদিন রোজা রাখার পর সূর্যাস্তের মুহূর্তে ইফতার করা মুসলমানদের জন্য এক বিশেষ আনন্দের সময়। আর সেই ইফতার যদি পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে একসঙ্গে বসে করা হয়, তাহলে তা আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।
ইসলামে একসঙ্গে বসে ইফতার করার গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে বিভিন্ন হাদিসে উল্লেখ রয়েছে। হাদিসে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, সে রোজাদারের সমপরিমাণ সওয়াব লাভ করবে; তবে রোজাদারের সওয়াব থেকে কিছুই কমবে না।
রমজান মাসে বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়, পরিবার-পরিজন ছাড়াও মসজিদ, মাদরাসা ও সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে গণইফতারের আয়োজন করা হয়। এসব আয়োজন মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, ভালোবাসা ও সৌহার্দ্য বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ধর্মীয় আলেমরা বলেন, একসঙ্গে বসে ইফতার করলে শুধু পেটের ক্ষুধা মেটে না, বরং মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সহমর্মিতা জাগ্রত হয়। একই সঙ্গে ইফতারের সময় দোয়া কবুল হওয়ার বিশেষ সুযোগও থাকে।
তারা আরও বলেন, রমজানের শিক্ষা হলো একে অপরের পাশে দাঁড়ানো এবং অভাবী মানুষের সঙ্গে খাবার ভাগাভাগি করা। তাই সামর্থ্য অনুযায়ী রোজাদারদের ইফতার করানো ও একসঙ্গে বসে ইফতার করা একটি উত্তম আমল।
পবিত্র রমজানের এই সময়টিতে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে এসে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানিয়েছেন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা। তাদের মতে, একসঙ্গে ইফতারের মাধ্যমে সমাজে ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।
Leave a Reply