
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরান–এর সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে কে দায়িত্ব নেবেন, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। এ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন মোজতবা খামেনি। তিনি নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দ্বিতীয় ছেলে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তাকে সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল–এর যৌথ হামলার প্রথম দিনেই আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। ওই হামলার পরপরই ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। যদিও এ বিষয়ে এখনো ইরান সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
ইসরায়েলি ও পশ্চিমা গণমাধ্যমের বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মোজতবা খামেনি বর্তমানে সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন। গত শনিবারের ওই হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ছাড়াও তাঁর স্ত্রী, মোজতবা খামেনির স্ত্রী এবং পরিবারের এক সদস্য নিহত হন বলে জানা গেছে। তবে হামলার সময় মোজতবা খামেনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না এবং তিনি জীবিত আছেন।
মোজতবা খামেনি কখনো কোনো নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি এবং আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সরকারি পদেও দায়িত্ব পালন করেননি। তবুও দীর্ঘদিন ধরে তিনি ইরানের ক্ষমতাকেন্দ্রের ঘনিষ্ঠ মহলে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে তার প্রভাব নিয়ে বহুদিন ধরেই আলোচনা রয়েছে।
এছাড়া ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সঙ্গেও তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে বিভিন্ন বিশ্লেষক মনে করেন। ফলে ইরানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নির্ধারণে মোজতবা খামেনির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এখন দেখার বিষয়—ইরানের শীর্ষ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব শেষ পর্যন্ত কাকে দেশের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচন করে।
Leave a Reply