কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ৪ নং বটতৈল ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের স্কুল পাড়ার মোঃ রফিকুল ইসলাম,পিতাঃ- আত্তাব (কুলি) মোঃ রফিকুল ইসলাম,ছাত্রলীগের সাবেক সেক্রেটারি বটতৈল ইউনিয়ন শাখা,২০০৩ ইং সালে দায়িত্বে ছিলেন তিনি,পরবর্তীতে চরমোনাই সংগঠনের সাথে সক্রিয় ছিলেন।
৫ ই আগস্ট এর পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বি এন পি সেজে,মব করে বটতৈল মোড় জামে মসজিদের সভাপতি হয়েছেন।
তবে জনসাধারণের ভাষ্যমতে পূর্বে বটতৈল মোড় জামে মসজিদের সভাপতি পদে ছিলেন,সাবেক সিনিয়র স্বরাষ্ট সচিব,মোঃ শহিদুজ্জামান।
মসজিদ টি বটতৈল মোড় জিকে ক্যানেলে,এবং সি এন বি সরকারি জায়গাতে গড়ে উঠেছিল,দীর্ঘদিন সেখানেই ধর্মপ্রাণ মুসল্লী একসাথে জামাতের সহিত নামাজ আদায় করেছেন।
পরবর্তীতে যখন বাইপাস সড়ক হতে যাই মাপ যোগে মসজিদ টি বাধাগ্রস্ত হয়,তখন মসজিদ টি ভেঙ্গে ফেলতে হয়।
সাবেক সভাপতি,সাবেক সিনিয়র স্বরাষ্ট্র সচিব,মোঃ শহীদুজ্জামান এর পিতা,সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান,মোঃ শওকত আলী।
তার পৈত্রিক সম্পত্তির ওপরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় মসজিদ টি পুনর নির্মাণ করেন।
এই বহুরূপী মোঃ রফিকুল ইসলাম,গত জাতীয় নির্বাচনে,বটতৈল স্কুল মাঠে জামাতি ইসলামীর,বর্তমান এমপি,আমির হামজার নির্বাচনী সভার মঞ্চে উঠে দল পরিবর্তন করে ফুলের মালা গলায় পরে জামাতি ইসলামী
হয়ে যান।
গত শুক্রবার মসজিদে জুম্মার নামাজের আগে কমিটি নিয়ে মতভেদ সৃষ্টি হয়,সে সময় সাধারণ মুসল্লিদের তোপের মুখে পড়ে,মব করে মসজিদ কমিটির সভাপতি বনে যাওয়া মোঃ রফিকুল ইসলাম।
মোঃ রফিকুল ইসলাম বর্তমান ব্যবসায়ী মঞ্চে বসেছেন,কিন্তু,এর পূর্বে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান,কুষ্টিয়ার গর্ভ,বি আর বি ক্যাবলস ইন্ড্রাস্ট্রিজ লিঃ এ চাকুরী রত অবস্থায় দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন।
বি আর বি কেবলস ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ থেকে চাকুরী চুতো হন মোঃ রফিকুল ইসলাম,সে সময় তার বিরুদ্ধে,বি আর বি কেবলস ইন্ডাস্ট্রিস লিঃ মামলা দায়ের করেন,মামলা টি বর্তমান চলমান রয়েছে।